Skip to main content
Nazipur News
নওগাঁ জেলার

ধামইরহাটে বৃদ্ধা হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি পুলিশের, গ্রেপ্তার ৫

Byনজিপুর নিউজ· Author

1 min read

Photo:

নজিপুর নিউজ | ধামইরহাট (নওগাঁ) :

নওগাঁর ধামইরহাটে হালিমা বেগম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলা দায়েরের এক দিনের মধ্যে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন ও হত্যায় ব্যবহৃত রশি এবং ওড়না উদ্ধারের দাবি করেছে জেলা পুলিশ।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ছিলিমপুর (তালবোনা) গ্রামের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে একটি বাঁশঝাড়ের পাশে ধানক্ষেতের আইল থেকে ওই বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে তাঁর শরীরে হত্যাকাণ্ডের আলামত দেখতে পায় পুলিশ। এ ঘটনায় ১৯ অক্টোবর ধামইরহাট থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়।

পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পত্নীতলা সার্কেল) শরিফুল ইসলাম ও ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিন্টু রহমানের নেতৃত্বে তদন্ত শুরু হয়। পরে অভিযান চালিয়ে হত্যার অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নিহতের ছোট ভাই ও তাঁর স্ত্রী। অন্য তিনজন একই এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি ও ওড়না জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অর্থসম্পদ, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি ও স্বর্ণালংকার নিয়ে বিরোধের পাশাপাশি অন্যান্য বিরোধের বিষয় উঠে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, ঘটনার প্রায় পাঁচ দিন আগে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৮ অক্টোবর দিবাগত রাতে হালিমা বেগমকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর কানের দুল নেওয়া হয় এবং মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে অন্য স্থানে ফেলে রাখা হয় বলে তদন্তে জানা গেছে।

নিহত হালিমা বেগম নিঃসন্তান ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে ছোট একটি ঘরে বসবাস করতেন। গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগি পালন এবং মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তাধীন। তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আইনগতভাবে নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন।

নওগাঁ জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার অপরাধ দমন ও অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Share

Related Stories

First published 21 October 2026. Spotted an error? Read our corrections policy.